মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ৪ জুন বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক পত্রিকায় ও অনলাইন অনলাইন নিউজ পোর্টালে গ্রাম পুলিশের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
সংবাদে বলা হয়েছে যে, ৩নং লালুয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ আবুল বশার গাজী ও তার বাবা মোস্তফা গাজী, মামুন গাজী, আলী আকাব্বর গাজী, মিজানুর রহমান গাজী চক্রের খামখেয়ালীপনা ও অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।
২০১৭ সাল থেকে ৪৭/৫ নং পোল্ডারের ছ-কানি খালের স্লুইসগেট স্বপন গাজীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় খালে লবণ পানি ঢুকিয়ে এলাকার রবিশস্য, গবাদিপশু, হাস মুরগী ক্ষতিসাধন করে।স্লুইস গেট দিয়ে লবণ পানি উঠিয়ে ও স্লুইসে বেন্তিজালে মাছ ধরতে বারণ করায় প্রতিশোধ গ্রহনের জন্য স্বপন গাজী মিথ্যা ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগে গত ১ জুন কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবুল বশার গাজীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। স্বপন গাজীর দায়েরকৃত মামলাও বিভিন্ন মহলে দেয়া অভিযোগের ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন।ওই সময় আমার বাবা মোস্তোফা গাজী ধর্মীয় ইবাদত পালনের জন্য রমজান মাসে ইতেকাফে মসজিদে ছিলেন। প্রকৃত পক্ষে গত ২৭ মে ৪৭/৫ নং পোল্ডারের স্লুইস গেট খুলে লবণ পানি উঠিয়ে স্বপন গাজী তার দলবলসহ বেন্তিজাল পেতে মাছ ধরলে এ ব্যাপারে আমি গ্রাম পুলিশ হিসেবে লালুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও কলাপাড়া নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩০ মে সন্ধ্যা ৭ টায় মাগরিবের নামাজ শেষে মুক্তিযোদ্ধা বাজারে যাবার পথে ৪৭/৫ নং স্লুইস গেটের রাস্তার উপর পেয়ে স্বপন গাজীসহ ১০/১২ জনের একদল সন্ত্রাসীরা আমাকে খুন জখমের ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জেল হাজত খাটানোর হুমকি দেয়।
তখন আশপাশ থেকে লোকজন এগিয়ে এসে আমাকে রক্ষা করে। এ ব্যাপারে আমি কলাপাড়া থানায় সাধারন ডায়রী করি। যার নাম্বার ৩৮১। স্বপন গাজী দায়েরকৃত মামলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভাক্ত উদ্দেশ্যে প্রনোদিত ও এলাকায় আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছেন।
আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।
-মো. আবুল বশার গাজী
পিতা মোঃ মোস্তফা গাজী,
গ্রাম পুলিশ, ৮ নং ওয়ার্ড লালুয়া ইউনিয়ন,
কলাপাড়া,পটুয়াখালী।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply